এনপিআই ইউনিভার্সিটির ছাত্রী মেধা পেল বিসিক এসএমই সম্মাননা ২০২২

0
82

গত ১৪ মার্চ সকাল ১১ টায় রাজধানীর জাতীয় যাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে বিসিক এসএমই উদ্যোক্তা বাংলাদেশ কতৃক আয়োজিত উদ্যোক্তা সম্মাননা ২০২২ অনুষ্ঠানে মারজানা ইসলাম মেধাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সাহেদ মাহমুদ। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব আব্দুল করিম (এনডিসি)
মারজানা ইসলাম মেধা ১৯৯৯ সালে ১২জুলাই ঢাকার প্রাণ কেন্দ্র মোহাম্মদপুরে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

২০১৭ সালে ট্রিনিটি স্কুল এন্ড কলেজ মোহাম্মদপুর থেকে এস.এস.সি পাস করেন। এবং ২০১৯ সালে ওয়াইড ভিশন কলেজ উত্তরা থেকে এইচ.এস.সি পাস করেন। অতঃপর ২০২১ বি এস সি (ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং) নিয়ে এন.পি আই ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নত আছেন। এছাড়াও মেধা বর্তমানে প্রফেশনাল কুকিং একাডেমি (পিসিএ) তে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে কুকিং এ লেভেল ওয়ান অধ্যায়নরত।

ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নানা রকম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন।

স্কুল ও কলেজ জীবনের বিভিন্ন কাজের জন্য তিনি পেয়েছেন অনেক সম্মাননা ও পুরস্কার। সমাজসেবা মূলক কাজেও তিনি পিছিয়ে নেই,২০১৩ সাল থেকে২০১৬ পর্যন্ত তিনি গার্লস গাইড নেতৃত্ব দান করেছেন, পেয়েছেন সম্মাননা।

বাবা রেমিটেন্স যোদ্ধা সাইদুল ইসলাম এর আদরে এবং গৃহিণী মা শামিমা ইসলাম এর সোহাগে, আহ্লাদে শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন মারজান ইসলাম মেধার। ছোট বেলা থেকে একটু স্বাধীনচেতা মেধা। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন।চার দেয়ালের ভিতর কখনোই তিনি থাকতে চান নি।

বড় হওয়ার সাথে সাথে এবং আতিথিয়তা প্রিয় মেধা রান্না করতে করতে কখন যে রান্না কে ভালোবেসে ফেলেছে তা আর কখনো ভেবে দেখেননি তিনি। সময়ের সাথে সাথে আত্মীয়র কাছ থেকে তার খাবারের প্রশংসা শুনতে শুনতে তিনি ভাবতে শুরু করলেন তিনি কেন এই রান্না নিয়ে কাজ শুরু করছেন না।

অনলাইনে প্রচার-প্রচারণা দিন দিনে বাড়তে থাকে তার, মেধার রান্নার সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। ২০১৮ সালে Medha’s Food Corner.নামে অনলাইনে হোমমেড ফুডের বিজনেস। ইচ্ছে শক্তি কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু হলো মেধার। মেধার প্রিয় মা তাকে সব সময়ই মানসিকভাবে সহযোগিতা করে। উল্লেখ্য মারজানা ইসলাম মেধা বিটিইএ বর্ষসেরা রন্ধন শিল্পী এওয়ার্ড ২০২১ অর্জন করেন।